Showing posts with label পুঁটি. Show all posts
Showing posts with label পুঁটি. Show all posts

কাঞ্জন পুঁটি

কাঞ্জন পুঁটি এদের শরীর রুপালী, পিঠ কালো, আশেঁর গোড়া কালচে। অন্যান্য পুঁটির চেয়ে পুরু ও চওড়া, ১০ সে,মি পর্যন্ত লম্বা। বার্বেল নেই। পায়ু-পাখনার পেছনে উপর দিক একটি বড় কালো ফোটা আছে। প্রজননকালে কোন কোনটির পাশ লাল ও বেগুনি রং ধারণ করে। স্বাদু পানিতে সর্বত্র বিস্তৃত।
Labels: পুঁটি

তিতপুঁটি

সবচেয়ে ছোট আকারের পুঁটি মাছ। মাত্র ১.৫ থেকে ২ ইঞ্চি লম্বা। রূপালী রঙের দেহে দুটি কালো ফোঁটা থাকে। নদী, নালা, খাল, বিল, পুকুর, ডোবা সর্বত্র পাওয়া যায়।
Labels: পুঁটি

ফুটানী পুঁটি

পুঁটি হতে ছোট ১.৫-২.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এই মাছ বেশ চটপটে ও সবসময় ওঠানামা করতে থাকে। এর বর্ণ ময়লা সাদা, লেজের গোড়া থেকে সামান্য ভেতরে এক ধরনের কালো এলাকা দেখা যায়।
Labels: পুঁটি

থাই পুঁটি

থাই পুঁটি অন্যতম যার বৈজ্ঞানিক নাম Barbonymus gonionotus, ইংরেজী নাম Java barb এবং স্থানীয়ভাবে একে থাই সরপুঁটি বা থাই রাজপুঁটি ও বলা হয়ে থাকে। দেশী সরপুঁটির মতো দেখতে এই মাছ তুলনামূলক বড় এবং উজ্জ্বল রুপালি বর্ণের শরীর বেশ উজ্জ্বল। অঙ্কীয়দেশ ও বক্ষ পাখনা হালকা হলুদ বর্ণের এবং পায়ু ও শ্রোণী পাখনা রক্তিম গোলাপী হয়ে থাকে। মুখে দু’জোড়া স্পর্শী থাকে।
Labels: পুঁটি

পুঁটি

বিভিন্ন পুঁটির মাঝে এটা প্রধান এবং বাংলাদেশের সর্বত্র প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এই মাছ তেলে কড়া ভাবে খেতে চমৎকার, এর দেহ রূপালী ও পিঠের কাছে ধূসরাভ। মাথার কাছে দেহে একটি ধূসরাভ, লালচে পোঁচ দেখা যায়। দৈর্ঘে ১-৩ ইঞ্চি এবং পুকুরে, খালে, বিলে দেখা যায়। এরা মশা ও অন্যান্য কীটের শুককীট ও উদ্ভিজ পদার্থ খেয়ে জীবন ধারণ করে।
Labels: পুঁটি

সরপুঁটি

এ মাছটিকে এলাকাভেদে শুধুমাত্র পুঁটি, সরালপুঁটি, সরল পুঁটি, স্বর্ণপুঁটি বা শের পুঁটিও বলা হয়ে থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Puntius sarana। সাদাটে বা রূপালী দেহবর্ণের এ মাছটির মুখে দুদ্র দু’জোড়া স্পর্শী বিদ্যমান। কানকোর উপরে সোনালী দাগ বিশিষ্ট এ মাছটির পাখনাসমূহ লালচে বা কমলা রংয়ের। দৈর্ঘ ৫-১২ ইঞ্চি।
খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাওড়সহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ স্বাদুপানির জলাশয়ে পূর্বে এ মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও বর্তমানে আর আগের মত পাওয়া যায় না। বর্ষাকালে ধানেক্ষেতে বা পাটের ক্ষেতেও এদের পাওয়া যায়। খাদ্য হিসেবে এটি শেওলা জাতীয় উদ্ভিদ, জলজ পোকামাকড়, ছোট মাছ, চিংড়ী, জুপ্ল্যাংকটন, এককোষী প্রাণী ইত্যাদি খেয়ে থাকে।

দেশী সরপুঁটি অন্যান্য পুঁটি মাছের ন্যায় বর্ষা মৌসুমে প্রজনন করে থাকে। এরা আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে হালকা স্রোতযুক্ত পানিতে ডিম দিয়ে থাকে।

চলন বিলে বর্ষার সময় এখনও এ মাছটি বেশ পাওয়া যায় তবে প্রতি বছর বিভিন্ন কারণে (অতিরিক্ত আহরণ, আবাসস্থল কমে যাওয়া ইত্যাদি) এর পরিমাণ কমে আসছে। বিদেশে এ মাছটিকে একুরিয়ামে লালন-পালনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের দেশেও চাষের পাশাপাশি একুয়ারিয়ামে পালনের উদ্যোগ নিলে তা আর্থিকভাবে লাভজনক হবে এবং এ মাছটির বিলুপ্তির সম্ভাবনা কমে যাবে।

 
Labels: পুঁটি

Advertisement