Showing posts with label হাঙ্গর. Show all posts
Showing posts with label হাঙ্গর. Show all posts

গ্রেট হোয়াইট শার্ক

চারশ' প্রজাতির হাঙ্গরের মধ্যে মাত্র নয় প্রজাতির হাঙ্গরের মানুষ মারার রেকর্ড আছে। আর এই নয় প্রজাতির মধ্যে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বিপজ্জনক গ্রেট হোয়াইট শার্ক।

গ্রেট হোয়াইট শার্কেরা দাঁতের ব্যাপারে প্রচণ্ড সম্পদশালী। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, সারা জীবনে অন্তত হাজার খানেক দাঁত হারায় তারা। তার চেয়েও আশ্চর্যের বিষয় ওগুলোর বদলে নতুন দাঁতও পেয়ে যায় তারা। কিভাবে? এদের উপরের চোয়ালের সামনের সারিতে থাকে ২৬টি দাঁত। আর নিচে সামনের সারির দাঁতের সংখ্যা ২৪। ক্ষুরের মতো ধারালো দাঁতের সারির পিছনে থাকে আরও অনেক প্রতিস্থাপনযোগ্য দাঁতের সারি। যখনই হাঙ্গরটা কোনো একটা দাঁত হারায়, পিছনের সারি থেকে বদলি দাঁত সামনে চলে আসে।

রকমারি ডেস্ক

বামবো শার্ক

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার সেন্ডিরাওয়াসিহ বেতে ২০০৬ সালে এই হাঙ্গরটি খুঁজে পাওয়া যায়।
এই এলাকার প্রবালশ্রেণীতে এত উঁচু মাত্রার জীববৈচিত্র্য আছে যে গবেষকরা এলাকাটিকে 'বিভিন্ন প্রজাতির কারখানা' নামে ডেকে থাকেন।

মার্ক এর্ডম্যান ২০০৬ সালে এই নতুন প্রজাতির হাঙ্গরটি খুঁজে পান।

যদিও প্রয়োজনে এরা সাঁতার কাটতে পারে। সাধারণত শেলশ্রেণীতে হাঁটার জন্য এবং প্রবালের মধ্য থেকে খাওয়ার জন্য এরা বুকের পাখনা ব্যবহার করে।

বিজ্ঞানীরা এই নতুন হাঙ্গরটি নামকরণের স্বত্ব নিয়ে নিলাম ডেকে সমুদ্রের প্রাণীদের সংরক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছেন।

হাঙ্গর

সমুদ্রের অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে ভয়ঙ্করতম যে প্রাণীটি, তার নাম হাঙ্গর। ছোট-বড় সবাই হাঙ্গরের নাম শুনলে ভয় পায়। তবে চলচ্চিত্রে হাঙ্গরকে যতটা ভয়ঙ্করভাবে দেখানো হয় বাস্তবে ততটা না হলেও নিঃসন্দেহে এটি একটি নোংরা খুনি। হাঙ্গর দ্বারা বছরে প্রায় ১০০টির মতো দুর্ঘটনা ঘটে।

নার্স শার্ক

সাধারণ হাঙ্গরের মতো এদের মুখ লম্বা নয় বরং এদের মুখ বেশ গোলাকার। দাঁতগুলোও ছোট ছোট। এই হাঙ্গরের শক্তিশালী চোয়াল কঠিন বস্তু গুঁড়ো করে দিতে পারে কিন্তু ছিঁড়তে পারে না। তাই এই নার্স শার্ক যখন কোনো জিনিস কামড়ে ধরে তখন তাদের চোয়াল বিরাট সাঁড়াশির মতো এমনভাবে জিনিসটাকে চেপে ধরে যে, যতক্ষণ প্রাণীটিকে মেরে ফেলা হচ্ছে ততক্ষণ তার মুখ ফাঁক হবে না। একবার ফ্লোরিডা উপকূলে কিছু মানুষের মৃতদেহ পানিতে ভাসতে দেখা গিয়েছিল। সেই দেহগুলো পরীক্ষা করে ডাক্তাররা বিস্ময় প্রকাশ করেছিল। কারণ দেহগুলো রক্তশূন্য ছিল। দেহগুলোর উপরকার মাংসপেশির আঘাত অতটা মারাত্মক ছিল না কিন্তু এদের দেহের ভিতরের সমস্ত হাড় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। এগুলো সবই ছিল নার্স শার্কের কীর্তি।

স্যান্ড শার্ক

আটলান্টিক হো সাগরের দুই পাশের অঞ্চলে এই হাঙ্গর প্রচুর দেখা যায়। পশ্চিম আফ্রিকার উপকূল থেকে ক্যানারি, ফ্লোরিডা ও ব্রাজিলে এদের মূল বিচরণক্ষেত্র। অন্যান্য হাঙ্গরের থেকে এদের প্রধান পার্থক্য এরা নিজেদের পাকস্থলীতে বাতাস ধরে রাখতে পারে। যেখানে অন্যদের দেহে বায়ুথলি বা পটকা না থাকায় তাদের পানিতে ভাসবার জন্য সব সময় লেজ নাড়াতে হয়। কিন্তু স্যান্ড শার্ক লেজ চালনা না করেই পানিতে ভাসে। স্যান্ড শার্ক পানির একেবারে তলায়ও যেমন যায় তেমনই এরা মাঝে মাঝে ডাঙ্গার কাছাকাছি থেকে শিকার টেনে নিয়ে গভীর পানিতে চলে যায়।

Advertisement